জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর আট বিশিষ্টজনকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র গতকাল জানিয়েছে, স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা অনুমোদন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শিগগির তাদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সরকারের দায়িত্বশীল একটি সূত্র অবশ্য নিশ্চিত করেছে, কারা এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। তারা হলেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি লে. কর্নেল (অব.) এমএজি ওসমানী (মরণোত্তর); সংস্কৃতিতে পপ সম্রাট আজম খান (মরণোত্তর); সাহিত্য ও ইতিহাসে রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী, লেখক ও ইতিহাসবিদ বদরুদ্দীন উমর; কবি আল মাহমুদ (মরণোত্তর); বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর); সমাজসেবায় ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার ভাস্কর নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর) ও বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
এর মধ্যে আবরার ফাহাদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতনে তিনি প্রাণ হারিয়েছিলেন। আবরারকে অবশ্য কোন ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হচ্ছে, তা জানা যায়নি।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, সম্মানীর অর্থের চেক ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছরই বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এ পদক দেয়া হয়।
[Disclaimer: You may visit the news source: https://www.bonikbarta.com/]

