Beta Ver. 0.04
Wednesday, October 28, 2026
Homeজাতীয়কমিটমেন্ট ফোকাসে রেখেই এগিয়ে যাচ্ছি, ভয়ের কারণ নেই: সিইসি

কমিটমেন্ট ফোকাসে রেখেই এগিয়ে যাচ্ছি, ভয়ের কারণ নেই: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও আইনকানুনের মধ্যেই কমিশন কাজ করছে। তাই ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। একটি ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন করবো—ইনশাআল্লাহ।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

‘আগের দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এখন কারাগারে। সেই বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে আপনাকে কতটা ভাবায়’ সাংবাদিকের এই প্রশ্নের উত্তরে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা এ পর্যন্ত যা করেছি, জাতির কাছে যে ওয়াদা দিয়েছি, সেই লক্ষ্যেই আইনকানুনের মধ্যে থেকেই কাজ করছি। আমাদের কমিটমেন্টকেই ফোকাসে রেখে দায়িত্ব পালন করছি। সুতরাং ভয়ের কোনো কারণ নেই।’

ব্রিফিংয়ে সিইসি জানান, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হবে। প্রার্থী বা তাদের মনোনীত এজেন্ট, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ভোট গ্রহণ শেষে কেন্দ্রেই গণনা করা হবে এবং প্রিসাইডিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফল সংকলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন। এ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

সিইসি আরও জানান, এ নির্বাচনে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ ৪৫টি দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। ৬০ জনের বেশি কর্মকর্তা ও প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন, যার মধ্যে প্রায় ২২০ জন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে। এছাড়া ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক নির্বাচন কভার করছেন। দেশীয়ভাবে ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থার ৪৫ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক ও ৬০ হাজারের বেশি সাংবাদিককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে ভোটারদের গোপনীয়তা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সিইসি বলেন, স্বচ্ছতাই আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি। গণমাধ্যমের পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা নির্বাচনে জনআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

[Disclaimer: You may visit the news source- www.ittefaq.com.bd]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর