Beta Ver. 0.04
Wednesday, October 28, 2026
Homeআইন আদালাতসাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়ায় কর্মকর্তার ব্যাখ্যা চেয়েছে আদালত

সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়ায় কর্মকর্তার ব্যাখ্যা চেয়েছে আদালত

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করার কারণ ব্যাখ্যা করতে তদন্ত কর্মকর্তাকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ নির্দেশ দেন।

পুলিশের প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আগামী ১ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক মামলাটির তদন্ত করছেন।

নিজ বাসায় সাংবাদিক দম্পতি হত্যাকাণ্ডের আলোচিত এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর থেকে চৌদ্দ বছরে একে একে ১২৪টি তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করলেও আজ পর্যন্ত প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে পারেনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলার তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‌্যাবকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ছয় মাস সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

পরে ওই বছরের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

২৩ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে ওই থানার একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। চাঞ্চল্যকর বিবেচনায় চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে যায়।

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাঁদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান।

এদের মধ্যে তানভীর রহমান খান ও পলাশ রুদ্র পাল জামিনে রয়েছেন। অন্যরা কারাগারে আছেন।

[Disclaimer: You may visit the news source-www.khaborerkagoj.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর