পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শীতের সকালে মহিষের লড়াই দেখতে হাজারো মানুষের ভিড় জমে ওঠে। দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক জনতা এই লড়াই উপভোগ করতে ওই এলাকায় উপস্থিত হন। তবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত লড়াইটি স্থগিত করা হয়।রোববার (৪ জানুয়ারি) উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর গ্রামে এ আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। তবে লড়াইটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত না হওয়ায় আগত দর্শনার্থীরা কিছুটা হতাশা নিয়েই ফিরে যান বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার খুব ভোরে বিশাল দেহের দুটি বলি মহিষ লড়াইয়ের জন্য মাঠে আনা হয়। মহিষ দুটির মালিক মজিবর ফকির ও সোহেল মিরা। স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে এ আয়োজন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছিল। আর ঠিক তখনই এখানে আসে এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী প্রাণিকল্যাণ সংগঠন এবং উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা। প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯-এর ৬ ধারায় কোনো প্রাণীকে লড়াইয়ের জন্য উত্যক্ত বা প্ররোচনা দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি জানার পর এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যরা এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লড়াই বন্ধ ঘোষণা করেন।
মহিষের লড়াই দেখতে আসা দর্শক মাসুদ পারভেজ বলেন, ছোটবেলা থেকে শুনতাম গ্রামেগঞ্জে মহিষের লড়াই হয় কিন্তু কখনো দেখা হয়নি। তাই অনেক শখ করে মহিষের লড়াই দেখতে এসেছিলাম। শীতের সকালে অনেক মানুষ উপস্থিত হয়েছিলে লড়াই দেখার জন্য। কিন্তু শেষ মুহূর্তে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে লড়াইটি বন্ধ হয়ে যায়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদিক বলেন, “প্রাণীর লড়াই প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই আইন অনুযায়ী লড়াইটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের আয়োজন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
[Disclaimer:You may visit the news source-www.dhakapost.com]

