Beta Ver. 0.04
Tuesday, June 2, 2026
Homeসহযোগী সংবাদমাধ্যমআমার দেশগ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে বিপিজিএমইএর উদ্বেগ

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে বিপিজিএমইএর উদ্বেগ

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ডলার বাজারে অস্থিরতা ও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতিতে একধরনের শ্লথগতি তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় একশটি পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরেক দফা বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)।রোববার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি সামিম আহমেদ বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে নানামুখী প্রভাব পড়বে। শিল্পায়ন নিরুৎসাহী হবে। শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আসবে না, বিদেশি বিনিয়োগও নিরুৎসাহিত হবে।সংগঠনটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে শিল্প খাতে নানা সংকটের মুখে শ্রমিক অসন্তোষ ও বেতন-ভাতা বকেয়া থাকার কারণে বেশ কিছু কারখানা এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ালে শিল্পোদ্যাক্তাদের আরও বিপদের মুখে পড়তে হবে।এ সময় অন্যদের মধ্যে বিপিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এএসএম কামাল উদ্দিন, ফেরদৌস ওয়াহেদ, বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি কেএম ইকবাল হোসেন, সহসভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক প্রমুখ।সামিম আহমেদ লিখিত বক্তব্যে জানান, বিপিসির তথ্যানুযায়ী দেশে দিনে গ্যাসের অনুমোদিত লোড ৫৩৫ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দিনে ৩৮০ থেকে ৪০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয় ২৮০ থেকে ৩০০ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ দিনে ঘাটতি থাকছে ১০০ থেকে ১২০ কোটি ঘনফুট। সরবরাহ করা গ্যাসের ৭৫ শতাংশ আসে দেশি গ্যাস থেকে আর বাকি ২৫ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। কিন্তু দেশে গ্যাসের উৎপাদন ক্রমেই কমছে। অন্যদিকে এলএনজি টার্মিনাল নির্মিত না হলে আমদানিও বাড়ানো যাবে না। এ অবস্থায় দেশের শিল্প খাত দ্বিমুখী সংকটে পড়বে এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধি শিল্প খাতের জন্য খুবই কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

[Disclaimer: You may visit the news source-dailyamardesh.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর