Beta Ver. 0.04
Wednesday, October 28, 2026
Homeজাতীয়স্পিডবোটের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করলো সরকার

স্পিডবোটের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করলো সরকার

দেশের স্পিডবোটের যাত্রী পরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী এই নতুন ভাড়ার হার সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১২ মে) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট আকারে প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নতুন এই ভাড়ার হার গত ১১ মে থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। যাত্রী সুবিধার কথা বিবেচনা করে শান্ত ও অশান্ত উভয় ধরনের নৌরুটের জন্য কিলোমিটার প্রতি এবং রুটভিত্তিক ভাড়ার তালিকা পৃথকভাবে চূড়ান্ত করেছে সরকার।

নতুন ভাড়ার হার অনুযায়ী, শান্ত নৌরুটে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রথম ১০ কিলোমিটারের জন্য প্রতি কিলোমিটার ১৫ টাকা করে ভাড়া দিতে হবে। পরবর্তী ১০ কিলোমিটারের জন্য প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ধরা হয়েছে ১০ টাকা ৮০ পয়সা এবং এর চেয়ে বেশি দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৮ টাকা ৬৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

অন্যদিকে ঝুঁকি বিবেচনায় অশান্ত নৌরুটের ভাড়ার হার কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রথম ১০ কিলোমিটারের জন্য জনপ্রতি কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ১৭ টাকা এবং পরবর্তী ১০ কিলোমিটারের জন্য ১৫ টাকা হারে ভাড়া দিতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে যাত্রীদের সুবিধার্থে গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোর ভাড়ার একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, আরিচা ঘাট-কাজীরহাট রুটে ভাড়া ২৩৫ টাকা, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে ১৩০ টাকা এবং বরিশাল-ভেদুরিয়া রুটে ভাড়া ৩২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এ ছাড়া লাহারহাট-ভেদুরিয়া রুটে ১৬০ টাকা, ভৈরব বাজার-নবীনগর রুটে ২৭০ টাকা, নরসিংদী-সলিমগঞ্জ রুটে ২৩৫ টাকা এবং গলাচিপা-রাঙ্গাবালী রুটে ৩৮০ টাকা ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। রাঙামাটির দুর্গম রুটগুলোর মধ্যে ফিশারি ঘাট থেকে মারিশ্যা ৮৬০ টাকা, মাইনি ৪৮৫ টাকা এবং বরকল রুটে ৩৫৫ টাকা ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে।

উপকূলীয় ও অশান্ত নৌরুটগুলোর ক্ষেত্রেও ভাড়ার নতুন তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে ২৬০ টাকা, কক্সবাজার ৬ নং ঘাট-মহেশখালী রুটে ৯৫ টাকা এবং বয়ার চর (চেয়ারম্যানঘাট)-নলছিরা (হাতিয়া) রুটে ভাড়া ৩২৫ টাকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই প্রজ্ঞাপন জারির ফলে দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ভাড়া আদায়ের সমস্যার সমাধান হবে এবং যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

[Disclaimer: You may visit the news source- www.ittefaq.com.bd]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর