স্টল বিন্যাসে স্বজনপ্রীতি, অবকাঠামো নির্মাণে অবহেলা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ঘাটতির কথা জানিয়ে অমর একুশে বইমেলার পরিবেশ ‘আশঙ্কাজনক’ বলে অভিযোগ তুলেছে প্রথম সারির প্রকাশকদের মোর্চা প্রকাশক ঐক্য।
বুধবার (৪ মার্চ) গুরুতর এসব অভিযোগের কথা জানিয়ে তারা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজমকে চিঠি দিয়েছেন।
বইমেলা পরিচালনা কমিটির সর্বেসর্বা বাংলা একাডেমির কর্মকর্তারা। তাই বাংলা একাডেমির মহাপরিচালককে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশক ঐক্য-এর পক্ষে ইউপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহ্রুখ মহিউদ্দীন, অন্যপ্রকাশের মাজহারুল ইসলাম, কাকলীর প্রকাশক এ কে নাসির আহমেদ, অনন্যার প্রকাশক মনিরুল হক, কথাপ্রকাশের জসীম উদ্দিনসহ ১৫ জন প্রকাশক স্বাক্ষর করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলা একাডেমির সঙ্গে ‘প্রকাশক ঐক্য’র সমঝোতা অনুসারে শীর্ষ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সর্বোচ্চ ৫ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ৬ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রকাশক ঐক্যের অভিযোগ, ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এসব স্টল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।’ প্রকাশকরা এ বিষয়ে বাংলা একাডেমি মহাপরিচালকের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
এবারের বইমেলার মাঠের অবকাঠামো ‘অত্যন্ত নাজুক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে। প্রকাশকরা বলেন, মেলার মাঠে চলাচলের পথ সম্পূর্ণ অসমতল ও ঝুঁকিপূর্ণ। মাঠে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি ছিটানো হচ্ছে না; ফলে প্রচুর ধুলা উড়ছে। সন্ধ্যার পর থেকে মশার উপদ্রবেও স্টলের কর্মীরা নাজেহাল হচ্ছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে মশা নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। মেলাপ্রাঙ্গণে মাদক বিক্রি ও সেবনের ঘটনা ঘটছে বলেও প্রকাশকরা উল্লেখ করেছেন।
প্রকাশকরা বলেছেন, রাতে স্টল বন্ধ হওয়ার পর মেলা প্রাঙ্গণে ছিন্নমূল ও বহিরাগত মানুষের অবাধ প্রবেশ ঘটছে। এতে প্রকাশকদের কোটি কোটি টাকার বই ও সম্পদের চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে মেলাপ্রাঙ্গণে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন প্রকাশকরা।
[Disclaimer: You may visit the news source-www.khaborerkagoj.com]

