Beta Ver. 0.04
Monday, June 1, 2026
Homeসর্বশেষ সংবাদমুহূর্তের দুর্ঘটনায় থমকে গেল নবদম্পতির জীবন

মুহূর্তের দুর্ঘটনায় থমকে গেল নবদম্পতির জীবন

বিয়ে করে বাড়ি ফেরার পথে বাগেরহাটের রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  

এদিকে দুর্ঘটনায় নিহত ১৩ জনের পরিচয় মিলেছে। নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ৯ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।    
 
নিহতরা হলেন- বর আহাদুর রহমান সাব্বির, কনে মারজিয়া আক্তার মিতু, কনের বোন লামিয়া, নানি আনোয়ারা বেগম, দাদি রাশিদা বেগম, বরের বাবা বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক, আঞ্জুমান, পুতুল, ঐশী, গাড়িচালক নাঈম শেখ,  শিশু ইরাম, সামিউল ও আলিফ।

নিহত কনে মার্জিয়া আক্তার মিতুর মামা আবু তাহের বলেন, মার্জিয়ার শ্বশুরবাড়ি মোংলার শেলাবুনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বরযাত্রীদের মাইক্রোবাসটি। বিকেল ৪টার পর জেনেছি রামপালের কাছাকাছি দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কনে মার্জিয়া মিতু, তার বোন লামিয়া, নানি ও তার দাদিসহ মোট ৪ জন মারা গেছে।  

কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম হাসানুজ্জামান বলেন, নৌবাহিনীর যাত্রীবাহী বাসটি খুলনার দিকে যাচ্ছিল। আর যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি ছিল মোংলা অভিমুখে। পথিমধ্যে বেলাইব্রিজ এলাকায় দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানান, দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। আমাদের এখানে ৪টি মরদেহ আছে।

রাত ৯টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসরুর আহসান বলেন, এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ৯ জনের মরদেহ এসেছে। 

গাড়িচালক নাঈমের বন্ধু বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফলতিতা বাজার ক্রস করছিলাম। তখন আমার কাছে ফোন আসে রামপালে নাঈম এক্সিডেন্ট করছে। পরবর্তীতে গ্রুপে জানাই। পরে জানতে পারি নৌবাহিনীর গাড়ির সাথে নাঈমের গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনা শুনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসি। এসে দেখলাম সে মারা গেছে। 

[Disclaimer: You may visit the news source- www.dhakapost.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর