Beta Ver. 0.04
Monday, June 15, 2026
Homeপ্রধান শিরোনামচট্টগ্রামে বাজার স্থিতিশীল রাখতে বন্দরে জরুরি অ্যাকশন প্ল্যান

চট্টগ্রামে বাজার স্থিতিশীল রাখতে বন্দরে জরুরি অ্যাকশন প্ল্যান

রমজানে ভোগ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে জরুরি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। রমজানকেন্দ্রিক ভোগ্যপণ্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস ও ডেলিভারি নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। 

রমজানের ভোগ্যপণ্য দ্রুত খালাসের পাশাপাশি রেলপথে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন, বন্দরে নষ্ট হওয়া পাঁচটি স্ক্যানার দ্রুত মেরামত, আধুনিকায়নসহ বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গুরুত্বপূর্ণ সভা করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সভায় বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

সভায় রমজানের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের (খেজুর, ফল, মসলা, চিনি ইত্যাদি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুল্ক বিভাগের মাধ্যমে ছাড়িয়ে নেওয়া এবং বন্দর থেকে ডেলিভারির বিষয়ে বন্দর চেয়ারম্যান গুরুত্বারোপ করেন। কাজটি সুষ্ঠুভাবে করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা আমদানি পণ্য শুল্কায়ন ও রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। 

দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সাপ্লাই চেইন বিলম্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে চারটি সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। তা হলো আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুততর করতে চট্টগ্রাম বন্দর এবং কাস্টম হাউস তিনটি শিফটে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে। খেজুর, ফলমূল, মসলা, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো পণ্যগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস ও ডেলিভারি নিশ্চিত করা হবে। বন্দরে আটকে থাকা প্রায় ২ হাজার ঢাকামুখী কনটেইনার দ্রুত পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের মাধ্যমে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করা হয়েছে। অপারেশনাল কার্যক্রম ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং রিয়েল-টাইমে মনিটর করার জন্য দুটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতরে বাংলাদেশ কাস্টমসের পাঁচটি স্ক্যানার মেশিন নষ্ট থাকায় বন্দরের ভেতরে অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের দীর্ঘ সারি এবং স্বাভাবিক অপারেশনাল কার্যক্রম গতিশীল রাখতে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বন্দরের অপারেশনাল লজিস্টিকস ও টেকনিক্যাল সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কিছু সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর মধ্যে রয়েছে, বন্দরের প্রতিটি যন্ত্রপাতি সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে। গেটগুলোতে কনটেইনার জট কমাতে কাস্টমসের বসানো স্ক্যানারগুলোর দ্রুত মেরামত ও আধুনিকায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাফা, বিকডাসহ অন্যান্য সংস্থা বন্দরের শিডিউলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অতিরিক্ত জনবল ও লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

[Disclaimer: You may visit the news source-www.khaborerkagoj.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর