Beta Ver. 0.04
Wednesday, October 28, 2026
Homeআন্তর্জাতিকনিম্নআয়ের তরুণদের কমংসংস্থানে ১৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নিম্নআয়ের তরুণদের কমংসংস্থানে ১৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রকল্পের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা পাবেন। যা তাদের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের বাধা দূর করতে সাহায্য করবে। এছাড়া, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে উন্নত শিশু যত্ন কেন্দ্র (চাইল্ড কেয়ার) ও জলবায়ু সহনশীল জীবিকা নির্বাহের ওপর বিশেষ জোর দেয়া হবে, দেশের নিম্নআয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার (১৫০.৭৫ মিলিয়ন) ডলার অতিরিক্ত অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। এ ঋণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারী ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস এ তথ্য জানায়।

‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট’ (আরএআইএসই) প্রকল্পের আওতায় এ অতিরিক্ত অর্থায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আগে নির্ধারিত ২ লাখ ৩৩ হাজার সুবিধাভোগীর পাশাপাশি আরো ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণকে সহায়তা করা হবে। প্রকল্পের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ক্ষুদ্রঋণ সুবিধা পাবেন। যা তাদের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের বাধা দূর করতে সাহায্য করবে। এছাড়া, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে উন্নত শিশু যত্ন কেন্দ্র (চাইল্ড কেয়ার) ও জলবায়ু সহনশীল জীবিকা নির্বাহের ওপর বিশেষ জোর দেয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত বিভাগের পরিচালক গেইল মার্টিন বলেন, একটি ভালো চাকরি একটি জীবন, একটি পরিবার ও একটি সম্প্রদায়কে বদলে দিতে পারে। তবুও, প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রবেশকারী অনেক তরুণ বাংলাদেশী কাজ খুঁজে পায় না। এ অতিরিক্ত অর্থায়ন নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর তরুণদের।বিশেষ করে নারীদের বাজার-চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা এবং সম্পদ অর্জনে সহায়তা করবে।বিশ্বব্যাংক জানায়, প্রকল্পটি শহরের বাইরে গ্রামীণ পর্যায়েও বিস্তৃত করা হবে। বিশেষ করে বাড়িতে মানসম্মত ও সাশ্রয়ী শিশু যত্ন সেবা চালুর লক্ষ্যে নারীদের প্রশিক্ষণ ও স্টার্ট-আপ অনুদান দেয়া হবে। এটি একদিকে যেমন নারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও বিকাশে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের সংযোগ ঘটাতে জব ফেয়ার বা চাকরি মেলার আয়োজনও করা হবে।

প্রকল্প লিডার আনিকা রহমান বলেন, প্রকল্পটি এরইমধ্যে প্রমাণ করেছে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে পারে। নতুন এ অর্থায়নের মাধ্যমে আমরা মানসম্মত শিশু যত্নের মতো উদ্ভাবনী সমাধান যুক্ত করছি, যা নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করবে।২০২১ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের ফলাফল বেশ ইতিবাচক। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৮০ শতাংশেরও বেশি শিক্ষানবিশ কোর্স শেষ করার তিন মাসের মধ্যে কর্মসংস্থান পেয়েছেন। এ পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি করোনা-ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বিদেশ ফেরত অভিবাসীকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করা হয়েছে।

[Disclaimer: You may visit the news source-bonikbarta.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর