Beta Ver. 0.04
Monday, September 14, 2026
Homeসহযোগী সংবাদমাধ্যমআমাদের সময়আওয়ামী লীগ তফসিল প্রত্যাখ্যান করলেও নির্বাচন বয়কট করছে না

আওয়ামী লীগ তফসিল প্রত্যাখ্যান করলেও নির্বাচন বয়কট করছে না

এল আর বাদল : বাংলাদেশে সদ্য ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণা দিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত এবং দেশটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ। ‘নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে’ নির্বাচন আয়োজনের জন্য দলটি দাবি জানিয়েছে।আওয়ামী লীগের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ”দেশের জনগণের বৃহত্তম অংশের প্রতিনিধিত্বকারীদের বাইরে রেখে ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রত্যাখ্যান করছে”।ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচনকে একটি অসাংবিধানিক সরকারের অধীনে অবৈধ নির্বাচন” বলে মন্তব্য করেছেন ভারতে অবস্থানরত দলটির নেতারা। —- সূত্র, বি‌বি‌সি বাংলা

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হবার পর থেকে দলটির প্রধান শেখ হাসিনাসহ অনেক শীর্ষ নেতা ভারতে অবস্থান করছেন। তবে নির্বাচনী তফসিল প্রত্যাখ্যান করলেও দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন বয়কটের মতো কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।তবে গত অক্টোবর মাসে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক ইমেইল সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন যে, আওয়ামী লীগকে আগামী বছরের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়া হলে দলটির লাখ লাখ সমর্থক এই নির্বাচন বয়কট করবে।গত ১১ই ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা ও নিবন্ধন স্থগিত হওয়ায় এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ।

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের’ দাবি

বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়া আওয়ামী লীগের ভারতে অবস্থানরত যে কয়েকজন নেতার সঙ্গে বিবিসি বাংলা কথা বলেছে, তারা সকলেই ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচনের বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কাদের বিবিসি বাংলাকে বলেন, “এটা তো অসাংবিধানিক সরকারের অবৈধ নির্বাচন। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কোনও সুযোগ আওয়ামী লীগের নেই”।’নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের’ দাবি জানিয়েছে দলটি।

নির্বাচন কমিশন গত মে মাসে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে। ফলে আওয়ামী লীগের দলীয় ব্যানারে বা প্রতীকে কারো এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই।এর আগে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা সহ শীর্ষ স্তরের বহু নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য, সহযোগী সংগঠনগুলির শীর্ষ নেতৃত্ব এখন ভারতে অবস্থান করেন। অনেকে আবার বিভিন্ন পশ্চিমা দেশেও চলে গিয়েছেন।বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব প্রবাসে থেকেই দলীয় কাজকর্ম পরিচালনা করেন ভার্চুয়াল মাধ্যমে।

“গণতান্ত্রিক নির্বাচন সেটাকেই বলা হয়, যা অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়ার পাশাপাশি সেই ভোট অন্তর্ভুক্তিমূলকও হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ – যে দলকে বাংলাদেশের অর্ধেকেরও বেশি ভোটার সমর্থন করেন, তাদের বাদ দিয়ে কোনও নির্বাচন তো প্রহসন ছাড়া কিছু না,” বলছিলেন ওবায়েদুল কাদের। তিনি বলেন যে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনও নির্বাচন হলে তা জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে, প্রতিহত করবে।

[Disclaimer:You may visit the news source-www.amadershomoy.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর