প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে যোগ্য ব্যক্তি খুঁজে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ দিতে সার্চ (অনুসন্ধান) কমিটি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সার্চ কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী এই কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে হবে।
ছয় সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।
কমিটিতে রাষ্ট্রপতি মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক সদস্য হলেন— সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিন্নাতুন নেছা তাহমিদা বেগম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার।
এছাড়া আইন অনুযায়ী পদাধিকারবলে সদস্য হিসেবে আছেন বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম এবং পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোবাশ্বের মোনেম।
বিদ্যমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ অনুযায়ী শূন্য পদে নিয়োগ দিতে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি করার বিধান রয়েছে। এই কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ দেবে।
নির্বাচন কমিশন গঠনের আইনে বলা হয়েছে, সিইসি ও চারজন ইসি নিয়োগ দেওয়ার জন্য সার্চ কমিটি প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে রাষ্ট্রপতির কাছে দুজন ব্যক্তির নাম সুপারিশ করবে। তিনজন সদস্যের উপস্থিতিতে অনুসন্ধান কমিটির সভার কোরাম গঠিত হবে।
বিদ্যমান আইন মোতাবেক সার্চ কমিটি তাদের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পন্ন করবে। আর তাদের কার্য সম্পাদনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ এর অধীনে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনই প্রথম নিয়োগ পেয়েছিল। সেই কমিশনের অধীনে গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। ৫ আগস্ট ক্ষমতার পালাবদলের এক মাসের মাথায় ৫ সেপ্টেম্বর কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন বিদায় নেয়।
[ Disclaimer: You may visit the news source:- https://www.dhakatimes24.com/]

