বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, বিজ্ঞান গবেষণায় ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। গবেষণার প্রতিটি ধাপই নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়, যা ভবিষ্যতের উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেয়। তিনি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আরো উৎসাহিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাত হিসেবে উল্লেখ করেন।
শুক্রবার সিলেটে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আসন্ন ঈদুল আজহার প্রসঙ্গ টেনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের চামড়া শিল্পকে একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে। এ শিল্প বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়কারী খাত হিসেবে আবির্ভূত হবে। আমরা এ খাতের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করেছি এবং সেগুলো দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলের হতাশার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অনেক সময় চামড়ার সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না। সেই হতাশা থেকেই অনেকে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস। এত অল্প সময়ে পুরো খাতের কাঠামোগত সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তবে সরকার চামড়া শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছে এবং খাতের সংকট নিরসনে কাজ শুরু করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।
চামড়াকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এটি আল্লাহর দেওয়া সম্পদ। সম্পদে অপ্রতুল একটি দেশে কোনো সম্পদ নষ্ট করা মানে বরকত থেকে বঞ্চিত হওয়া। জেনে-শুনে আমরা এমন কাজ করতে পারি না। চামড়া শিল্পকে সত্যিকার অর্থে সম্ভাবনাময় খাতে রূপ দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সময় পেলে এ খাত দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
[Disclaimer: You may visit the news source- www.dailyamardesh.com]

