মৌসুমী ঝড়ে ছয়টি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে যাওয়ায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুড়াকুটি গ্রাম টানা ৩১ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। এতে পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ৩০০ বিদ্যুৎ গ্রাহক।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোরে হঠাৎ হওয়া মৌসুমী ঝড়ে উত্তর দুড়াকুটি হাদুর মোড় থেকে ইসমাইল গ্রামের আজিজুলের মাল্টা বাগান পর্যন্ত নেসকোর (কিশোরগঞ্জ) ছয়টি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং তার ছিঁড়ে যায়। পরে এলাকাটি জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় দ্রুত মেরামত কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
এর ফলে উত্তর দুড়াকুটি গ্রামের বাসোপাড়া, ঠিকরিপাড়া, তাতিপাড়া, কাচারি পাড়া ও গুপ্তগ্রামের প্রায় ৩০০ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুর ১১টা পর্যন্ত ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
টানা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও কৃষিভিত্তিক ছোট শিল্প—সব ক্ষেত্রেই চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফ্রিজ, রাইস কুকার, রাইস মিলসহ বিদ্যুৎনির্ভর যন্ত্রপাতি অচল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আইয়ুব আলী বলেন, গতকাল ভোর থেকে বিদ্যুৎ নেই। আমরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগে আছি। রাতে গরু চুরির ভয়ে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারিনি।
এ বিষয়ে নেসকো কিশোরগঞ্জের আবাসিক প্রকৌশলী শামসুল আরেফিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোরে প্রচন্ড ঝড়ে ওই এলাকার গাছপালা ভেঙ্গে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পরে এবং ৬ টি খুঁটি মাটিতে পরে যায়। বৈদ্যুতিক সংযোগস্থলটি জলমগ্ন থাকায় খুঁটি স্থাপন সম্ভব হয়নি। আজ মঙ্গলবার দুপুরের মধ্য আধুনিক যন্ত্রপাতি এনে খুঁটি স্থাপন করতে পারবো।
[Disclaimer: You may visit the news source- www.ittefaq.com.bd]

