Beta Ver. 0.04
Wednesday, July 29, 2026
Homeসহযোগী সংবাদমাধ্যমখবরের কাগজ‘সুলতানাস ড্রিম’ আসছে স্টার সিনেপ্লেক্সে

‘সুলতানাস ড্রিম’ আসছে স্টার সিনেপ্লেক্সে

বাঙালি মুসলমান নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত একটি গ্রন্থ ‘সুলতানার স্বপ্ন’। অনগ্রসর বাঙালি সমাজে মেয়েরা ছিল অবহেলিত। তারা নিজের অধিকারের জন্য মাথা তুলে দাঁড়াবে- এমনটাই চেয়েছিলেন বেগম রোকেয়া। সেই চাওয়া থেকেই তিনি লিখেছিলেন এই গ্রন্থ। যেখানে বাংলার মুসলিম নারীদের তথা পুরো নারী সমাজের পরিবর্তনের স্বপ্ন গেঁথেছেন তিনি। তার সেই স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের গল্প পর্দায় তুলে আনেন স্প্যানিশ নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা।
 
স্প্যানিশ ভাষায় ৮৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের নাম ‘এল সুয়েনো দে লা সুলতানা’, ইংরেজিতে ‘সুলতানাস ড্রিম’। ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্পেনের ‘সান সেবাস্তিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে’ সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়। এর পর ইউরোপিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, গোয়া ফেস্টিভ্যাল, ফিল্মফেস্ট হামবুর্গ, লিডস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে সিনেমাটি। এবার বাংলাদেশের দর্শকদের সামনে আসছে প্রশংসিত এই সিনেমা। আগামীকাল শুক্রবার স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে এটি।

১৯০৫ সালে ইংরেজিতে প্রকাশিত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘সুলতানা’স ড্রিম’ রচনাটি পুরো ভারতবর্ষে, বিশেষ করে বাংলায় নারীবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং একটি বৈপ্লবিক কল্পকাহিনি বলে বিখ্যাত হয়ে আছে। পরে ১৯২২ সালে বেগম রোকেয়া নিজেই কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে উপন্যাসটি ‘সুলতানার স্বপ্ন’ নামে সর্বপ্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন। বেগম রোকেয়ার এ লেখার সঙ্গে কীভাবে পরিচয় হলো, সে কথা এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন নির্মাতা হারগুয়েরা। ২০১২ সালে দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। প্রচণ্ড বৃষ্টির এক দিনে আটকা পড়েছিলেন শহরের একটি আর্ট গ্যালারিতে। সেখানেই খুঁজে পান ‘সুলতানাস ড্রিম’ বইটি। ইসাবেল বলেন, ‘এত বছর আগে লেখা একটি বই, যেখানে নারীদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছে অন্য এক পৃথিবীর। বইটি পড়ে আমার বিস্ময়ের শেষ ছিল না। একেবারে প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ার মতো। তখনই সিদ্ধান্ত নিই, এটা নিয়ে আমি সিনেমা বানাব।’

এটি ইসাবেল হারগুয়েরার প্রথম ফিচার ফিল্ম। যৌথভবে এর চিত্রনাট্য লিখেছেন জিয়ানমার্কো সেরা। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ ও বাস্কসহ সিনেমাটিতে ব্যবহার করা হয়েছে পাঁচটি ভাষা। এই সিনেমায় কলকাতার সংগীতশিল্পী মৌসুমী ভৌমিকের লেখা একটি গানও আছে। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন তাজদির জুনায়েদ, গেয়েছেন দীপান্বিতা আচার্য। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে স্পেন ও জার্মানির পাঁচটি প্রতিষ্ঠান।

[Disclaimer: You may visit the news source- www.khaborerkagoj.com]

অনুরূপ সংবাদ
- Advertisment -

আরও খবর