লাল রিবন পরা কাল্পনিক চরিত্র হ্যালো কিটি; যে কিনা ভ্রমণ, পড়াশোনা ও বেকিং পছন্দ করে। মাত্র পাঁচটি আপেলের সমান উচ্চতার জাপানি চরিত্রটি ‘সিইও অব সুপারকিউট’ নামেও পরিচিত। আইকনিক হ্যালো কিটির ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে এ বছর। আবির্ভাবের পাঁচ দশক শেষেও রমরমা বাজার দেখছে এ কাল্পনিক চরিত্রকে আশ্রয় করে নির্মিত পণ্য। সব মিলিয়ে হ্যালো কিটির স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় প্রায় ৩১০ কোটি পাউন্ড। চরিত্রটি সৃষ্টি করেছিলেন জাপানি চিত্রশিল্পী ইউকো শিমিয়ু। ১৯৭০-এর দশকে বিড়ালসদৃশ চরিত্রটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং তখন থেকেই এটি বিশ্বব্যাপী চমকপ্রদ ইভেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বয়স্ক, শিশু ও তারকাদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় হ্যালো কিটি।
পোশাক থেকে স্টেশনারি, এমনকি মেকআপ পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যে হ্যালো কিটির ছবি ব্যবহৃত হয়। অ্যানিমেটেড সিরিজ, চলচ্চিত্র, কমিকস, ভিডিও গেম বা বইয়ের পাতায় রয়েছে তার সরব উপস্থিতি। জাপানি কোম্পানি সানরিও চরিত্রটির স্বত্বাধিকারী। ইকোনমিস্টদের মতে, হ্যালো কিটিকে কেন্দ্র করে তৈরি পণ্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বা ৩১০ কোটি পাউন্ড আয় হয়। ধারণা করা হয়, এর নির্মাতারা এ পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে। বিপুল জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও হ্যালো কিটির সৃষ্টির পটভূমি সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। এর পুরো নাম কিটি হোয়াইট। সে লন্ডনের উপকণ্ঠে তার পরিবারের সঙ্গে থাকে। সে কিন্তু বিড়াল নয়, মূলত একজন মেয়ে। তার একটি যমজ বোন আছে, নাম মিমি।
শিমিয়ু তার বাবার দেয়া একটি কুকুরছানা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে হ্যালো কিটি চরিত্রটি তৈরি করেছিলেন। পরের বছর অভিষেক ঘটে চরিত্রটির এবং তাৎক্ষণিকভাবে জাপানে জনপ্রিয় হয়ে যায়। এখন হ্যালো কিটির মুখ দেখা যায় হাজার হাজার পণ্যে। অ্যাডিডাস থেকে শুরু করে জিসিডিএস ও ব্যালেন্সিয়াগার সঙ্গে অংশীদারত্বেও রয়েছে হ্যালো কিটি। পোকেমনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপার্জনকারী মিডিয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি হ্যালো কিটি। মিকি মাউস ও স্টার ওয়ার্সের স্থান এর পর। গত কয়েক দশকে হ্যালো কিটি ইউনিসেফ ও জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দূতের দায়িত্বে ছিল। দ্য গার্ডিয়ান।
[ Disclaimer: You may visit the news source:- https://bonikbarta.com/]

